শিশুবিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক

  মানবসভ্যতার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে জানা যায় শিশু জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শ ভিত্তিক একটি পর্যায়। মাতৃগর্ভে ২৮০ দিন বেড়ে উঠার পর শিশু যখন পৃথিবীর মুখ দেখে তখন থেকেই শুরু হয় অভিযোজন এর পালা । জন্ম থেকে প্রথম দুই সপ্তাহ বা নবজাতকাল শিশুর ভিত্তি প্রস্থের সময়। অতঃপর সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে শিশু স্বাস্থ্যের উপরে গুরুত্ব দিয়ে শিশুকে বেড়ে তোলা , জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সুষ্ঠু ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করা। শিশুবিকাশ ও সামাজিক সম্পর্কের মূল উদ্দেশ্য হলো শিশুকে সম্পদশালী করে গড়ে তোলার যত্ন, নির্দেশনা ,দর্শন ও পরিবেশের মাধ্যমে।

  শিশু বিকাশের অন্যতম পর্যায় হল মানব শিশুর বেড়ে ওঠা প্রতিটি ধাপে ধাপে। শিশু পর্যায় অতিক্রম করে যখন বয়সন্ধি ও তারুণ্যে পৌঁছায় তখন শুরু বড় জীবন পরিবর্তনের পালা। জীবিকার অন্বেষণ ও জীবন পরিক্রমায় সমাজে নিজের অবস্থান গড়ে নেওয়া । প্রাপ্ত বয়সে প্রায়স্বী কৃতি আর বৃদ্ধ বয়সে পায় প্রাপ্তি।

  শিশুবিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক এমন একটি শিল্প ব্যবস্থা যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের জ্ঞান অন্বেষণে সক্রিয় হবে। নিজ দায়িত্ববোধ ও ব্যক্তিত্বের শক্তি অর্জন করে যোগ্য মানব সম্পদ হয়ে পৃথিবীর বুকে অবস্থান করতে সক্ষম হবে । মা ও শিশু স্বাস্থ্য হতে শিশুর নার্সারি শিক্ষা, স্কুল শিক্ষা, পরবর্তীতে তারুণ্যের ঝঞ্ঝার অতিক্রম করে বাস্তবতার জীবন উপভোগ করার শিক্ষাসহ জীবন ভিত্তিক প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাউন্সিলিং জ্ঞানের অধিকারী হবে শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি সমাজে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শনাক্তকরণসহ তাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজের টিকে থাকার কৌশল শিখে নেবে।

  সর্বোপরি কর্মক্ষেত্র শিশু বিকাশ এর একটি বিরাট কার্যকারী মাধ্যম। ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে, বিসিএস, শিক্ষক, প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষকতা, বিভিন্ন হাসপাতাল, শিশু বিকাশ কেন্দ্রসহ বিভিন্নস্থানে কর্মের সুযোগ রয়েছে।