শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা

   শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ বিকাশের জন্য জীবনভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব সর্বকালে সর্বলোকের কাছে সমাদৃত। যে শিক্ষার সাথে জীবনের এবং প্রয়োজনের সম্পর্ক নেই সেটি পরিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা নয়। শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা জীবনের বহুমুখী সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে চারু ও কারুশিল্পের সুষম সমন্বয়ে সৃজনশীল কল্পনাশক্তির মাধ্যমে দেশীয় ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ ও যথাযথ সংরক্ষণের প্রচেষ্টায় সর্বদা নিরবিচ্ছিন্ন প্রয়াস। শিক্ষার সাথে জীবনের সম্পর্ক স্থাপন- এটাই শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষার মূলমন্ত্র | শিল্প এমন একটি ক্ষেত্র যা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে স্পর্শ করে এবং আমাদের সমস্ত ক্রিয়াকলাপের সাথে একত্রিত হয় । শিল্প প্রতিটি মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যদি শিল্পকলা ও সৃজনশীলতার অস্তিত্ব থাকে তবেই পরিপূর্ণভাবে সফলতা অর্জন করা সম্ভব । শিল্পের উদ্ভব,বিকাশ, শিল্পের মাধ্যমে একটি জাতির উন্নয়ন ও সভ্যতার ধারাবাহিকতা , আমাদের দেশীয় শিল্প ও সংস্কৃতির ক্রমবিকাশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সর্বোপরি শিল্পের মান উন্নয়নে শিল্পনীতি এবং শিল্প উপাদানের সমন্বয়ে হাতে কলমে শিল্প তৈরির কৌশলগুলো শেখানো অর্থাৎ পুরোপুরিভাবে শিল্পকে জানার জন্য তত্ত্বীয় ,ব্যবহারিক এবং গবেষণাধর্মী শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা বিভাগে। এই বিভাগের মূল উদ্দেশ্যই হল জীবনকে অর্থবহ ও কার্যকরী করে তোলা।এটি এমন একটি বিভাগ যেখানে বর্তমান যুগের অত্যন্ত চাহিদা সম্পন্ন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল – গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফ্যাশন ডিজাইন ,ইন্টেরিয়র ডিজাইন ইত্যাদি। এই বিভাগের শিক্ষাক্রমকে আরও বাস্তবমুখী করার জন্য রয়েছে সেমিনার , ফিল্ডওয়ার্ক,ইন্টার্নশিপ, প্রেজেন্টেশন , প্রদর্শনীর ব্যবস্থা, শিক্ষা সফর ইত্যাদি। যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের সফলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও রয়েছে-

   সর্বোপরি শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থীরা নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে থাকে। তাই বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানদন্ড তৈরি করে বিশ্ব মানচিত্রে দেশকে তুলে ধরার জন্য শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা বিভাগের গুরুত্ব অপরিসীম।